স্টাফ রিপোর্টার :চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার শিকারী গ্রামের শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী আব্দুস সালামের ছেলে মোঃ দেলোয়ার হোসেন। বয়স ৩৫ বছর। আর দশজন শিশুর মত স্বাভাবিক ভাবেই জন্ম হয় দেলোয়ারের। ছেলে বড় হয়ে সবার মুখে হাঁসি ফুটাবে। কিন্তু না ছোট সময় অসুস্থ হলে গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তারের চিকিৎসায় সুস্থ না হয়ে বিকলাঙ্গ হয়ে যায় শিশুটি। ধীরে ধীরে হাত পা সুরু হয়ে যায়। কথা বলতে পারে না। এভাবেই শুরু হয় তার জীবন যাত্রা। চলতে চলতে প্রতিবন্ধী দেলোয়ার ৩৫ বছরে পা দিয়েছেন। একটি অপচিকিৎসা হারিয়ে দিয়েছে পরিবারের আনন্দ। প্রতিবন্ধী দেলোয়ার ৩৫ বছর বয়সে এসে নানা রকম রোগ তাঁর শরীরে বাসা বেঁধেছে। সম্প্রতি ভোলাহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে অবস্থা বেগতিক দেখে দায়িত্বরত চিকিৎসক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে প্রেরণ করেন। গত ২৪ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ভর্তি থাকেন সেখানে। এসময় বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ধরা পড়ে দেলোয়ারের কিডনি ও পিত্তথলিতে পাথর। এছাড়াও হার্নিয়া রোগে আক্রান্ত অনেক দিন ধরে। একে তো প্রতিবন্ধী আবার বিভিন্ন প্রকার রোগ। এ যেন পরিবারের উপর মারার উপর খাঁড়ার ঘা। দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে প্রতিবন্ধী দেলোয়ার হোসেনের অসাহায়ত্ব পরিবারের হাসিখুশি যেমন ম্লান করে দিয়েছে। তেমনি তার পিছনে আর্থিক খরচ করতে করতে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে পরিবারটি। প্রতিবন্ধী হলেও দেলোয়ার বাঁচতে চাই। সুস্থ হতে চাই। তাকে বাঁচাতে সকল স্বহৃয় ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তার পরিবারের। দেলোয়ারের ভাই মোঃ খাইরুল ইসলাম বলেন, শিশু অবস্থায় আমার ভাই অসুস্থ হলে গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তার চিকিৎসা প্রদান করেন। এসময় ভুল চিকিৎসায় শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী হয়ে যায়। এখন আমার ভাইয়ের বয়স ৩৫ বছর। তার কষ্ট আমার পরিবারের হাসিখুশি আনন্দ উল্লাস সব কিছুই কেড়ে নিয়েছে। এখন আবার হারনিয়া পিত্তথলি ও কিডনিতে পাথর হয়েছে। তার পিছনে খরচ করতে গিয়ে আমাদের পরিবারটি পথে বসে গেছে। তার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা খুব প্রয়োজন। স্বহৃয় ব্যক্তিদের অর্থ সহায়তা দিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁর ভাই মোঃ খাইরুল ইসলাম। প্রতিবন্ধী ভাইকে সুস্থ করতে তার এ বিকাশ নাম্বার ০১৭২৫৬৬৯৬১৫ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।
